অতিরিক্ত ওজন কমিয়ে শক্তি বাড়াবে যে ফলের রস


যেকোনো ফলের রসের থেকে আনারস উপকারী। আনারসের জুসে আলাদা করে চিনি দিতে হয় না। আনারসে থাকা অ্যাসকরবিক অ্যাসিড শরীরে ভিটামিন সি এর চাহিদা পূরণ করে।

আনারসের জুস খেলে জ্বর-ঠাণ্ডা, হার্ট ভালো রাখে, ক্ষত সারাতে, হ’জম ক্ষমতা বৃদ্ধি, পেশির ব্যথাসহ র’ক্তকে হঠাৎ করে জমাট বাঁধতে দেয় না। এছাড়া আনারস ওজন কমানোয় বেশ সাহায্য করে। কারণ আনারসে প্রচুর ফাইবার রয়েছে এবং অনেক কম ফ্যাট। তাই ওজন কমাতে চাইলে আনারস খেতে পারেন। এছাড়া প্রতি কেজি আনারস থেকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।

কেন খাবেন আনারসের জুস?

আনারস ভিটামিন এ, বি ও সি এর একটি উৎকৃষ্ট উৎস। এতে রয়েছে ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, পটাসিয়াম, ব্রোমেলেইন, বিটা-ক্যারোটিন, মিনারেল, শর্করা, ফাইবার, আয়রন, প্রোটিন ও সহ’জপাচ্য ফ্যাট খুবই অল্প পরিমাণে। এছাড়া প্রতি কেজি আনারস থেকে প্রায় ৫০০ ক্যালরি শক্তি পাওয়া যায়।

আনারসে প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি বিদ্যমান থাকায় এবং এতে ফ্যাট-এর পরিমাণ একেবারেই কম হওয়ায় এই ফল ওজন কমাতে সহায়ক। এটি রুচিবর্ধক ফল। তাই, মুখে রুচি না পেলে আনারস খান। এতে প্রচুর ক্যালসিয়াম, মিনারেলস, ম্যাংগানিজ ও ভিটামিন থাকে। মুখের ভেতরের জীবাণুর আক্রমণ রোধ করে। সারা দিনের ক্লান্তি দূর করবে। আনারস খেতে পারেন জুস করে কিংবা সালাদে।

আসুন জেনে নেই কী’ভাবে বানাবেন আনারসের জুস।

উপকরণ

আনারস দুই কাপ, চিনি স্বাদমতো, লবণ সামান্য, সাদা গোলম’রিচের গুঁড়া ১/২ চা চামচ, পানি ১/২ কাপ, বরফ ৪/৫ টুকরা ।

প্রস্তুত প্রণালি

প্রথমে ভালো করে আনারসের খোসা ছাড়িয়ে নিন। এরপর আনারসের গায়ে যে চোখের মতো অংশ থাকে, তা ভালো করে তুলে ফেলুন। এরপর ছোট ছোট টুকরা করে কে’টে নিন। একটি ব্লেন্ডারে বরফ কুচি ছাড়া বাকি উপকরণগুলো একসঙ্গে ভালো করে ব্লেন্ড করে নিন। এরপর একটি গ্লাসে বরফ কুচি দিয়ে পরিবেশন করুন মজাদার আনারসের জুস।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*